
পুরী ধামে চক্রতীর্থের কাছে রয়েছে বেড়ি হনুমান মন্দির। এখানে হনুমানের মূর্তি একটি বেড়ি দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে। শ্রীজগন্নাথদেব হনুমানকে পুরীধাম রক্ষায় নিয়োজিত করেন। কেননা কখনও কখনও সমুদ্রের তরঙ্গ পুরীতে প্রবেশ করত এবং পুরীবাসীকে ভুগতে হত।
সেজন্য জগন্নাথদেব হনুমানকে এখানে পাহারায় নিযুক্ত করেন, যাতে সমুদ্র পুরী শহরে প্রবেশ করতে না পারে , হনুমান তা দেখবেন।
একবার হনুমানের অযোধ্যা পরিদর্শনের জন্য ইচ্ছা হল। সুতরাং পুরীধাম পাহারার দায়িত্ব ফেলে ঐস্থান ত্যাগ করে হনুমান অযোধ্যা গেলেন। ফলে সমুদ্রের জল শহরে প্রবেশ করল এবং শহরবাসীর খুব ভোগান্তি হতে লাগল।
শ্রীজগন্নাথদেব হনুমানকে অযোধ্যা থেকে ফিরিয়ে আনলেন। তাঁকে এখানে বেড়ি দিয়ে আবদ্ধ করে রাখলেন এবং তাঁকে আজ্ঞা দিলেন যে, কখনও যেন সে এ স্থান ছেড়ে না যায় এবং দায়িত্ব সুন্দরভাবে পালন করে।
যেহেতু হনুমান পুরী ধামকে মহাসাগর থেকে সুরক্ষিত রাখতে দরিয়ার (মহাসাগর) নিকটে অবস্থান করছেন, সেজন্য তিনি দরিয়া হনুমান নামেও খ্যাত।
আগামী পর্বে থাকছে বিমলা দেবীর মাহাত্ম্য।
অনুগ্রহ করে আপনারা নিয়মিত এই শ্রী জগন্নাথ লীলা মহিমা পাঠ করে জগন্নাথের কৃপা লাভ করুন।


