দীক্ষা কি, কত প্রকার ও বৈষ্ণবদের কোন প্রকারের দীক্ষা দেওয়া হয়?
1 answers
12 views
Uzzwal Dhali
Debasish Biswas
+2
Answer
Login

আরও পড়ুন ...

1 Answer
দীক্ষা শব্দের শাব্দিক অর্থ দিব্য জ্ঞান। যার দ্বারা সকল পাপের ক্ষয় হয় তাই দীক্ষা। শ্রীগুরুদেব প্রদত্ত শ্রীমন্ত্রে ভগবানের স্বরুপ জ্ঞান এবং তদ্ধারা জীবের সঙ্গে শ্রীভগবানের যে নিত্য সমন্ধ তা বিশেরুপে অনুভবের নামই দীক্ষা। শ্রীল জীব গোস্বামী প্রণিত ভক্তিসন্দর্ভ গ্রন্থের আগমপ্রমাণানুসারে -- "দিব্যং জ্ঞানং যতো দদ্যাৎ কুর্য্যাৎ পাপস্য সংক্ষয়ম্। তস্মাৎ দীক্ষেতি সা প্রোক্তাদেশিকৈস্ততুত্ত্বকোবিদৈ।।" যে অনুষ্ঠান হইতে প্রাকৃত দিব্যজ্ঞানের উদয় হয় এবং অবিদ্যারূপীপাপসমূহের সংখ্যক ক্ষয় হয়, তত্ত্বকোবিদগণ তাহাকেই দীক্ষা বলিয়াছেন। যে গুরু মন্ত্রপ্রদানপূর্বক প্রাকৃতজ্ঞানের পরিবর্তে চিন্ময় অনুভূতি প্রদান করিয়া জড়ীয় পাপরূপ অবৈধচেষ্টাসমূহ নিরাস করিতে সমর্থ, সেইগুরুই যথার্থ দীক্ষাদাতা এবং তদাশ্রিত ব্যক্তিই দীক্ষিত। দীক্ষা তিন প্রকার- যথাঃ- (১) পৌরানিকী (২) বৈদিকি (৩) পাঞ্চরাত্রিকী (১) পৌরানিকীঃ- কোন উপযুক্ত ব্যক্তিকে দীক্ষা দান করাকে পৌরানিকী দীক্ষা বলে। যেমন- ধ্রুব মহারাজ কে শ্রীনারদ কর্তৃক দীক্ষাদান। (২) বৈদিকিঃ- জন্মগত অধিকারে যে দীক্ষা দেয়া হয় তাহা বৈদিকি দীক্ষা। যেমন জাতি ব্রাহ্মনদের দীক্ষা। (৩) পাঞ্চরাত্রিকীঃ- অনধিকারী ব্যক্তিকে অধিকারী করিবার জন্য যে দীক্ষা প্রদান করা হয় তাহা পাঞ্চরাত্রিকী দীক্ষা। যেখানে বর্ণের কোন বিচার নাই, যে কোন বর্ণের লোকই সৎগুরুর নিকটে দীক্ষা ও উপনয়ন গ্রহণ করিতে পারিবে। জাবালা পুত্র সত্যকামকে ঋষি গৌতম উপনয়ন প্রদান করিয়া ছিলেন। জীবের নিত্যধর্মের নামান্তর হইল বৈষ্ণব ধর্ম। যে কোন ধর্ম, বর্ণ থেকে মানুষ বৈষ্ণব হইতে পারে। তাই যে কোন ধর্ম-বর্ণ থেকে আগত অনধিকারী ব্যক্তিগনকে শ্রীভগবানের পূজা-অর্চনে অধিকার দেয়ার জন্য বৈষ্ণবদের পাঞ্চরাত্রিকী দীক্ষা দেয়া হয়।। সেই সঙ্গে মহাপ্রভুর নির্দেশিত পথ ।হরিনাম সংকীর্তন---হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে।হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।।
Uzzwal Dhali
Sabuj
+2