ভগবান শ্রীকৃষ্ণ ভগবদ্গীতার জ্ঞান প্রথমে সূর্যদেব বৈবস্বত মনুকে প্রদান করেছিলেন — এটা গীতার একেবারে শুরুতেই, চতুর্থ অধ্যায়ে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে।
ভগবদ্গীতা ৪.১ – শ্রীকৃষ্ণ বলেনঃ
"ইমং বিবস্বতে যোগং প্রোক্তবান্ অহম্ অৱ্যয়ং
বিবস্বান্ মনবে প্রাহ মনুঃ ইক্ষ্বাকৱে'ব্রবীত্"
অনুবাদঃ আমি পূর্বে সূর্যদেব বিবস্বানকে এই অব্যয় জ্ঞানযোগ বলেছিলাম। বিবস্বান তা মানবজাতির জনক মনুকে বলেছিলেন এবং মনু তা ইক্ষ্বাকুকে বলেছিলেন।
এই শ্লোক থেকে বোঝা যায়:
১. ভগবদ্গীতা বা ভক্তি-যোগের জ্ঞান চিরন্তন (অব্যয়)
২. এটা প্রথমে ভগবান স্বয়ং সূর্যদেব বিবস্বান-কে বলেন
৩. এরপর সেই জ্ঞান মনু (মানবজাতির আদি পুরুষ)-র কাছে পৌঁছায়
৪. পরে ইক্ষ্বাকু রাজবংশে সেই জ্ঞান প্রেরিত হয় — অর্থাৎ রাজর্ষিদের কাছে
ভগবদ্গীতার জ্ঞান নতুন নয় — এটি সনাতন (চিরন্তন) জ্ঞান। ভগবান শ্রীকৃষ্ণ সময় সুযোগ বুঝে বারবার এই জ্ঞান নিজেই পুনঃস্থাপন করেন, যখন তা পৃথিবীতে বিকৃত বা হারিয়ে যায়।
গীতার ভাষ্য অনুযায়ীঃ
প্রথম গ্রহীতা: বিবস্বান সূর্যদেব
তারপর: মনু
তারপর: ইক্ষ্বাকু
অবশেষে: অর্জুন, কুরুক্ষেত্রে