> ভক্তিমূলক সেবায় নিযুক্ত হওয়া
> চারটি বিধিনিষেধ কঠোর ভাবে পালন করা, যথা :- i)আমিষাহার বর্জন (মাছ, মাংস, ডিম,রসুন, পিঁয়াজ, মসুর ডাল এগুলো বর্জন বর্জন করা)
ii) নেশা বর্যন ( বিড়ি, পান, তামাক, চা, কফি, নর্শী বর্জন করা )
iii) অবৈধ যৌন সঙ্গ বর্জন
iv)দ্যুত ক্রীড়া বর্জন (তাস, পাশা, লটারী,জুয়া এগুলোকে বর্জন করা)
> প্রাতঃকালিন অনুষ্ঠানে প্রতিদিন অংশগ্রহণ করা (মন্দিরবাসিরা)
> বাড়িতে বা নামহট্টে প্রাতঃকালীন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করা ( মন্দিরের বাইরের অধিবাসীরা)
* প্রভূপাদাশ্রয় গ্রহন করা:-
> প্রধানতম শিক্ষা-গুরু হিসেবে শ্রীল প্রভূপাদের উপর মনোযোগ দেওয়া।
> প্রণাম করার সময় শ্রীল প্রভূপাদের প্রণাম মন্ত্র স্থব করা।
> জ্যোষ্ঠ ইসকন ভক্তদের দ্বারা পথপ্রদর্শন (শিক্ষ গুরু)
* দীক্ষা ও শিক্ষা-গুরু পদাশ্রয়
>প্রভুপাদের অন্ততঃ ছয় মাস পর, কেউ তার শিক্ষাগুরুর মধ্য থেকে একজন ইসকন অনুমোদিত দীক্ষাগুরু নির্ণয় করতে পারে। এখানে উল্লেখ্য যে ছয় মাস সময়সীমাটি নূন্যতম সময়, কিন্তু এই নির্ণয় করতে যতটা সময় দরকার ততটাই নেওয়া যাবে।
> নিজেদের বিদ্ধিমত্তা প্রয়োগ করে সুবিবেচকের মত দীক্ষাগুরু নির্ণয় করা শিষ্যদের দায়িত্ব।
> সুতারং পদ্ধতিটা হচ্ছে গুরু গ্রহন করার আগে কমপক্ষে একবছর ধরে তাঁর কাছ থেকে শ্রবন করা উচিৎ। আর তখন সে উপলব্ধি করতে পারে যে "হ্যা, ইনি এমনই একজন গুরু যিনি আমাকে শিক্ষা দিতে পারেন।" তখন মন থেকেই গুরু হিসেবে গ্রহন করা যায়। ঝোকের বশে গ্রহন করবে না।
(শ্রীমদ্ভাগবতম ১.১৬.২৫ ---হাওয়াই, জানুয়ারী ২১, ১৯৭৪)
( এই সম্পর্কে একজন ভক্ত প্রশ্ন করেছিলেন শ্রীমৎ সুবগ স্বামী গুরুমহারাজকে মায়াপুরে যে কি করে একজন কনিষ্ঠ ভক্ত তার গুরু নির্বাচন করতে পারে তখন উনি বলেছিলেন যার কথা শুনে মনের জড়জাগতিক আসক্ত মুক্ত হচ্ছে এবং এই চারটি বিধিনিসেদ পালন করতে মনে উৎসাহিত বোদ করছেন মনে করবে সেই তার গুরু হবার যোগ্য)
> কোন আন্তরিক ভক্তের উচিৎ শাস্ত্রীয় সিদ্ধান্ত অনুসারে সদগুরু নির্ণয় করা। শ্রীল জীব গোস্বামী বংশানুক্রমিকভাবে বা সামাজিক প্রথার বশবর্তী হয়ে কুলগুরু গ্রহন না করতে উপদেশ দিচ্ছেন। পারমার্থিক জীবনে যথার্থভাবে অগ্রসর হওয়ার জন্য সদগুরুর অনুসন্ধান করা অবশ্য কর্তব্য।


