ChatGPT said:
খুব সুন্দর প্রশ্ন 🌼
বৈষ্ণব সম্প্রদায়ে একাদশী তিথি অত্যন্ত মহিমান্বিত, কারণ এটি ভগবান বিষ্ণু ও তাঁর অবতার শ্রীকৃষ্ণের প্রিয়তম দিন। সব একাদশীই পালনীয় হলেও, বৈষ্ণবরা কিছু নির্দিষ্ট একাদশীকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়ে থাকেন।
বৈষ্ণবদের কাছে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ একাদশীসমূহ
নির্জলা একাদশী
একে বলা হয় “সব একাদশীর রাজা”।
শাস্ত্রে আছে, নির্জলা একাদশী পালন করলে বছরের সব একাদশীর সমান ফল পাওয়া যায়।
ভীম মহারাজের ব্রতের সাথে সম্পর্ক থাকার কারণে এটিকে “ভীম একাদশী”ও বলা হয়।
শয়নী (আষাঢ় শুক্ল) একাদশী
ভগবান শ্রীবিষ্ণুর যোগনিদ্রায় প্রবেশের দিন।
এই থেকে চাতুর্মাস্য ব্রত শুরু হয়। বৈষ্ণবরা বিশেষ ভক্তিসাধনা ও সংযম পালন করেন।
প্রবোধিনী (কার্তিক শুক্ল) একাদশী
ভগবান শ্রীবিষ্ণুর নিদ্রা সমাপ্তির দিন।
চাতুর্মাস্য ব্রতের সমাপ্তি ঘটে।
অনেক বৈষ্ণব মন্দিরে এদিনে দম্পতিদের প্রতীকী “তুলসী-শালগ্রাম বিবাহ” অনুষ্ঠিত হয়।
বৈকুণ্ঠ একাদশী (দক্ষিণ ভারতে বেশি প্রচলিত)
পৌষ/মাঘ মাসে হয়। বিশ্বাস করা হয়, এদিন বৈকুণ্ঠের দ্বার উন্মুক্ত থাকে।
ভক্তরা রাত্রিযাপন ও জাগরণ করে ভগবান নারায়ণের কৃপালাভ করেন।
মোক্ষদা একাদশী (গীতা জয়ন্তী)
মার্গশীর্ষ মাসের শুক্ল একাদশী।
শ্রীকৃষ্ণ এদিন কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধে অর্জুনকে ভাগবত গীতা উপদেশ দিয়েছিলেন।
বৈষ্ণবরা গীতা পাঠ ও নামসংকীর্তনে বিশেষ গুরুত্ব দেন।
পদ্মিনী ও পরমা একাদশী (অধিক মাসে হয়)
এই দুটি বিরল একাদশী বিশেষভাবে মোক্ষপ্রদায়িনী বলে গণ্য।
সারসংক্ষেপ
যদিও সব একাদশীই বৈষ্ণবদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ, তবে বিশেষ মর্যাদাপ্রাপ্ত হলো—
✨ নির্জলা, শয়নী, প্রবোধিনী, বৈকুণ্ঠ, মোক্ষদা, এবং পদ্মিনী/পরমা একাদশী।


