🌸 রাধাষ্টমী কী, তার বর্ণনা নিচে দেওয়া হলো —
রাধাষ্টমী হলো শ্রীমতী রাধারাণীর আবির্ভাব তিথি। ভগবান শ্রীকৃষ্ণের যেমন জন্মাষ্টমী তেমনি শ্রীমতী রাধারাণীর আবির্ভাব তিথি হচ্ছে রাধাষ্টমী। ভাদ্র মাসের শুক্ল অষ্টমী তিথিতে, অয়ন ঘণ্টায়, বার্ষিকভাবে এই দিবস পালন করা হয়।
রাধারাণীর আবির্ভাব
শ্রীমতী রাধারাণী বৃন্দাবনের বার্ষাণা গ্রামে আবির্ভূত হন।
তাঁর পিতার নাম বৃষভানু মহারাজ, মাতার নাম কীর্তিদা দেবী।
জন্মের সময় রাধারাণী ছিলেন দৃষ্টিতে অন্ধ। কিন্তু কিশোর শ্রীকৃষ্ণকে দেখে প্রথমবারের মতো তাঁর চক্ষু উন্মীলিত হয়।
রাধারাণীর মাহাত্ম্য
শাস্ত্র মতে, তিনি স্বয়ং ভগবান শ্রীকৃষ্ণের হ্লাদিনী শক্তির প্রকাশ।
তিনি ভক্তির প্রতিমূর্তি, তাঁর দ্বারা ভগবানকে ভক্তরা সহজে লাভ করতে পারেন।
শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু রাধারাণীর ভক্তিভাব নিয়ে আবির্ভূত হয়ে ভক্তিকে সর্বত্র প্রচার করেছিলেন।
রাধাষ্টমীতে পালন
ভক্তরা উপবাস করেন এবং শ্রীশ্রী রাধা-কৃষ্ণের পূজা-অর্চনা করেন।
বিশেষ ভোগ নিবেদন, নামসংকীর্তন, কীর্তন, ও শাস্ত্র পাঠের আয়োজন করা হয়।
মন্দিরে রাধারাণীর বিশেষ সজ্জা ও মহোৎসব হয়।
শাস্ত্রীয় দৃষ্টিতে
ব্রহ্মসংহিতা, ভাগবত, পদ্মপুরাণসহ বহু গ্রন্থে রাধারাণীর মাহাত্ম্য বর্ণিত।
রাধারাণী ছাড়া শ্রীকৃষ্ণ পূর্ণরূপে পূজিত হন না। তাই ভক্তরা সর্বদা “রাধা-কৃষ্ণ” নামে তাঁকে সম্বোধন করেন।


