একাদশীকে শাস্ত্রে বলা হয়েছে ভক্তির রানি। তাই এদিনে ভগবৎভক্তরা কিছু বিশেষ নিয়ম মেনে চলে থাকেন। একাদশীর দিন প্রধানত নিম্নলিখিত কাজগুলো না করাই শ্রেয়—
🚫 একাদশীতে যা যা করা যাবে না
অন্নগ্রহণ (চাল, গম, ডাল ইত্যাদি শস্যজাত খাদ্য)
একাদশীর মূল নিয়মই হলো অন্নবর্জন। বিশেষত চাল একেবারেই বর্জনীয়।
বিকল্প হিসেবে ফল, দুধ, সাবুদানা, শাক, ফলের রস ইত্যাদি গ্রহণ করা যায়।
পেঁয়াজ, রসুন, মাশরুম, মদ্যপান, মাছ-মাংস, ডিম ইত্যাদি
এগুলো তামসিক খাদ্য, একাদশীতে একেবারেই নিষিদ্ধ।
জুয়া, মিথ্যা কথা, নিন্দা, পরচর্চা, রাগ ও ক্রোধ
একাদশীতে মন, বাক্য ও দেহকে শুদ্ধ রাখতে হয়।
অতিরিক্ত ঘুম
শাস্ত্রে বলা হয়েছে, একাদশীর রাত জাগ্রত থেকে ভগবদ্স্মরণ করা শ্রেয়।
কামাচার বা গৃহস্থসঙ্গ
একাদশীতে সর্বতোভাবে ব্রহ্মচর্য পালন করতে হয়।
চৌষট্টি কলা বা বিলাস, কাজের অতিরিক্ত ব্যস্ততা
মনকে যেন ভগবদ্স্মরণ থেকে বিচ্যুত না করে।
কিছু সবজি ও খাদ্যও বর্জনীয়
বেগুন, পালং শাক, সজনে, চানা, শিম ইত্যাদি অনেক স্থানে একাদশীতে নিষিদ্ধ ধরা হয়।
✅ একাদশীতে যা করা উচিত
ভগবদ্স্মরণ, জপ, পাঠ, কীর্তন।
ভগবানের নামে উপবাস ও পরম তুষ্টচিত্তে দিন অতিবাহিত।
দান, সেবা ও সদাচরণ।
📖 পদ্ম পুরাণে বলা হয়েছে:
"একাদশী-ব্রত পালন করলে সব পাপ ধ্বংস হয়, ভগবানের প্রতি ভক্তি বৃদ্ধি পায় এবং মুক্তি লাভ হয়।"


