কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের ঐতিহাসিক শঙ্খসমূহ
মহাভারতের যুদ্ধের শুরুতে পাণ্ডবপক্ষের প্রধান বীরেরা যে বিশেষ শঙ্খগুলো বাজিয়েছিলেন, তার বর্ণনা নিচে দেওয়া হলো:
শ্রীকৃষ্ণ (বাসুদেব): তাঁর শঙ্খের নাম ছিল 'পাঞ্চজন্য'। এটি অশুভ শক্তির বিনাশ ও ধর্মের জয়ের প্রতীক।
অর্জুন (ধনঞ্জয়): তাঁর শঙ্খের নাম ছিল 'দেবদত্ত'। দেবরাজ ইন্দ্র তাঁকে এই বিশেষ শঙ্খটি উপহার দিয়েছিলেন।
ভীম (বৃকোদর): অত্যন্ত শক্তিশালী ও ভয়াবহ শব্দের জন্য পরিচিত তাঁর শঙ্খটির নাম ছিল 'পৌণ্ড্র'।
যুধিষ্ঠির (ধর্মরাজ): পাণ্ডবদের মধ্যে জ্যেষ্ঠ এই বীর যে শঙ্খটি বাজিয়েছিলেন, সেটির নাম 'অনন্তবিজয়'।
নকুল: তাঁর ব্যবহৃত শঙ্খটির নাম ছিল 'সুঘোষ'। এটি অত্যন্ত সুমধুর ও গম্ভীর শব্দের জন্য পরিচিত।
সহদেব: পাণ্ডবদের মধ্যে কনিষ্ঠ এই বীরের শঙ্খের নাম ছিল 'মণিপুষ্পক'।
⚔️ কৌরবপক্ষের সূচনা
কৌরব শিবিরে যুদ্ধের প্রথম সূচনা করেছিলেন সেনাপতি ভীষ্ম পিতামহ। তিনি তাঁর গম্ভীর ও সিংহনাদ সদৃশ শঙ্খ বাজিয়ে দুর্যোধনকে আনন্দিত করেছিলেন। কৌরব বীরদের ব্যক্তিগত শঙ্খের নাম গীতায় বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়নি।


