রামায়ণের লোককথা ও পৌরাণিক কাহিনী অনুসারে, বনবাসকালে মহর্ষি বাল্মীকির আশ্রমে দেবী সীতা যমজ পুত্র লব ও কুশ-কে জন্ম দেন। জনশ্রুতি আছে, ঋষি বাল্মীকি লবকে 'কুশ' (এক ধরণের পবিত্র ঘাস) দিয়ে পুনরায় জীবিত বা সৃষ্টি করেন, তাই তাঁর নাম কুশ হয়।
কুশের জন্মের অলৌকিক কাহিনী ও পটভূমি হলো -
জন্মস্থান: নেপালের তমসা নদীর তীরে মহর্ষি বাল্মীকির আশ্রমে সীতা দেবী লব ও কুশকে জন্ম দেন।
অলৌকিক কাহিনী: একদিন সীতা দেবী লবকে বাল্মীকির আশ্রমে রেখে বন থেকে কাঠ আনতে যান। ঋষি বাল্মীকিও তখন ধ্যানমগ্ন ছিলেন। লবকে না পেয়ে বাল্মীকি ভয় পেয়ে যান যে কোনো বন্যপ্রাণী তাকে নিয়ে গেছে। সীতার সামনে কি বলবেন ভেবে তিনি কুশ ঘাস দিয়ে লবের মতো দেখতে আরেকটি শিশু সৃষ্টি করেন এবং প্রাণ দেন। পরে সীতা দেবী দুই যমজ পুত্র (লব-কুশ) পেয়ে অবাক হন এবং অলৌকিক কাহিনী জানতে পারেন।
নামকরণ: কুশ ঘাস থেকে উৎপন্ন হওয়ার কারণে ঋষি বাল্মীকি তাঁর নাম 'কুশ' রাখেন।
শিক্ষাদীক্ষা: বাল্মীকির আশ্রমে লব-কুশ রামায়ণ গান এবং অস্ত্রবিদ্যায় পারদর্শী হয়ে ওঠেন।
তবে, মূল রামায়ণে লব ও কুশকে সীতার গর্ভজাত যমজ সন্তান হিসেবেই উল্লেখ করা হয়েছে, কিন্তু লোকগাঁথায় কুশ ঘাসের এই অলৌকিক কাহিনীটি খুব জনপ্রিয়। বনে গেলে, ঋষি বাল্মীকি লবকে 'কুশ' (এক ধরণের পবিত্র ঘাস) দিয়ে পুনরায় জীবিত বা সৃষ্টি করেন, তাই তাঁর নাম কুশ হয়।
কুশের জন্মের অলৌকিক কাহিনী ও পটভূমি:
জন্মস্থান: নেপালের তমসা নদীর তীরে মহর্ষি বাল্মীকির আশ্রমে সীতা দেবী লব ও কুশকে জন্ম দেন।
অলৌকিক কাহিনী: একদিন সীতা দেবী লবকে বাল্মীকির আশ্রমে রেখে বন থেকে কাঠ আনতে যান। ঋষি বাল্মীকিও তখন ধ্যানমগ্ন ছিলেন। লবকে না পেয়ে বাল্মীকি ভয় পেয়ে যান যে কোনো বন্যপ্রাণী তাকে নিয়ে গেছে। সীতার সামনে কি বলবেন ভেবে তিনি কুশ ঘাস দিয়ে লবের মতো দেখতে আরেকটি শিশু সৃষ্টি করেন এবং প্রাণ দেন। পরে সীতা দেবী দুই যমজ পুত্র (লব-কুশ) পেয়ে অবাক হন এবং অলৌকিক কাহিনী জানতে পারেন।
নামকরণ: কুশ ঘাস থেকে উৎপন্ন হওয়ার কারণে ঋষি বাল্মীকি তাঁর নাম 'কুশ' রাখে।
শিক্ষাদীক্ষা: বাল্মীকির আশ্রমে লব-কুশ রামায়ণ গান এবং অস্ত্রবিদ্যায় পারদর্শী হয়ে ওঠেন।
তবে, মূল রামায়ণে লব ও কুশকে সীতার গর্ভজাত যমজ সন্তান হিসেবেই উল্লেখ করা হয়েছে, কিন্তু লোকগাঁথায় কুশ ঘাসের এই অলৌকিক কাহিনীটি খুব জনপ্রিয়।


