নারায়ণ” (Narayana) শব্দটি সংস্কৃত মূল থেকে আগত এবং এর বেশ কিছু গভীর ও আধ্যাত্মিক অর্থ রয়েছে। ব্যুৎপত্তিগতভাবে এর প্রধান দুটি অর্থ নিচে দেওয়া হলো:
১. নার (জল) + অয়ন (আশ্রয়):
সংস্কৃত ‘নার’ শব্দের অর্থ হলো জল এবং ‘অয়ন’ শব্দের অর্থ হলো আশ্রয় বা পথ। সেই অনুযায়ী, যার আশ্রয় বা বাসস্থান জলে (ক্ষীরোদ সাগরে), তিনিই নারায়ণ। শাস্ত্রীয় মতে, সৃষ্টির শুরুতে ভগবান যখন অনন্ত শয্যায় জলরাশির ওপর অবস্থান করেন, তখন থেকেই তাঁর এই নাম।
২. নর (মানুষ/জীব) + অয়ন (গতি বা লক্ষ্য):
‘নর’ বলতে সকল জীব বা মানবজাতিকে বোঝায়। ‘অয়ন’ মানে পরম গতি বা গন্তব্য। অর্থাৎ, সকল জীবের যিনি অন্তিম লক্ষ্য বা পরম গতি, তিনিই নারায়ণ।
সংক্ষেপে:
নারায়ণ হলো ভগবান বিষ্ণুর একটি প্রধান নাম। হিন্দু ধর্মমতে, তিনি সৃষ্টির পালনকর্তা এবং পরমাত্মার প্রতীক। তাকে সকল শক্তির উৎস এবং আশ্রয় হিসেবে গণ্য করা হয়।


