হরে কৃষ্ণ ।।
আমরা রাম বিনা রামরাজ্য চাই । যেটা কার্যত অসম্ভব । রাবণ রামকে বিনা রামের ঐশ্বর্য সীতা মাতাকে ভোগ করতে চেয়েছিল ফলে তার সকল কীর্তি ধ্বংস প্রাপ্ত হয়েছিল । তাই সদাচরণ বাদ দিয়ে মানুষ যতই প্রযুক্তি,ঐশ্বর্য, উপায় আবিষ্কার করুক না কেন এগুলো সবই শুধু মানব সমাজে উৎপাতের সৃষ্টি করবে।
বরং যদি আমরা সদাচার হই , তুচ্ছ জড়জাগতিক বিনোদন লাভের জন্য অতিরিক্ত সংগ্রাম,প্রতিযোগিতা,হিংসা বিদ্বেষ , কাম, প্রতারণা , লোক দেখানো দেবদেবী পুজা বাদ দিয়ে কৃষ্ণসেবায় নিজ ইন্দ্রীয় সমুহ নিযুক্ত করি তাহলে কৃষ্ণ সন্তুষ্ট হবেন ফলে আমরা উৎকৃষ্ট চিন্ময় আনন্দ লাভ করব , এভাবে আপনা থেকেই আমদের সকল ইন্দ্রীয় সংযমিত হবে।। মন আমাদের সদবুদ্ধির দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবে এবং কৃষ্ণ কথায় সর্বদা সন্তুষ্ট থাকবে । আর কৃষ্ণ সন্তুষ্ট হলে তার ঐশ্বর্য্য লক্ষ্মীদেবী সেই ভক্তকে সকল ঐশ্বর্যে পূর্ণ করবেন ঠিক যেমন সুদামা লাভ করেছিলেন ।
এভাবে কৃষ্ণভক্তের প্রতি সকল দেবতা সন্তুষ্ট থাকেন তার আলদা করে ৩৩ কোটি লোকপালগনকে সন্তুষ্ট করতে হয় নাহ।
কৃষ্ণ নিজে গীতায় বলেছেন,
আমি ভক্তের প্রয়োজনীয় সকল বস্তু সরবরাহ করি
আমরা ভক্তের মধ্যে সকল দিব্য গুণাবলি আপনা থেকেই বিকশিত হয়
আমি স্মৃতি এবং বিস্মৃতি প্রদান করি
আমি ভক্তের সকল পাপ হরণ করি
এভাবে যদি আমরা নিয়মিত গীতা অধ্যয়ন করি, যুক্তবৈরাগ্য অনুসরণ করে কৃষ্ণময় হয়ে জীবনের কার্যক্রম পরিচালনা করি তাহলে খুব সহজেই রাম রাজ্য প্রতিষ্ঠা হবে ঠিক যেমন যুধিষ্ঠির মহারাজ করেছিলেন তখন কৃত্রিম ভাবে নৈতিকতার বাণি আউরানো লাগবে নাহ, মোটিভেশনাল ভিডিও বানানো লাগবে নাহ।
কৃষ্ণ ভক্তি খুবই সরল কিন্তু তার আগে শরণাগতি প্রয়োজন।।
হরে কৃষ্ণ ।।
চলবে......


