সনাতন ধর্মসহ বিভিন্ন নীতিশাস্ত্র ও বিশ্বধর্মে সৎকর্ম (পুণ্যকর্ম বা ধর্ম) এবং পাপকর্ম (অধর্ম)-কে মানুষের চেতনা, উদ্দেশ্য এবং পরিণামের ভিত্তিতে পৃথক করা হয়। বাহ্যিক ক্রিয়ার চেয়ে কাজের পেছনের মনোভাব বা উদ্দেশ্য (Intention) এবং সমাজের ওপর তার প্রভাব দিয়ে এই পার্থক্য নির্ধারিত হয়।
সৎকর্ম ও পাপকর্মের মূল পার্থক্যগুলো নিচে দেওয়া হলো:
১. সংজ্ঞাগত পার্থক্য
সৎকর্ম: যে কাজ সত্য, ন্যায়, অহিংসা, মহত্ব এবং অন্যের কল্যাণের ওপর ভিত্তি করে করা হয়, তা-ই সৎকর্ম। যা মানুষ ও প্রকৃতিকে শুভ ও কল্যাণের দিকে নিয়ে যায়।
পাপকর্ম: যে কাজ অন্যায়, মিথ্যা, হিংসা, স্বার্থপরতা বা অন্যের ক্ষতির উদ্দেশ্যে করা হয়, তা-ই পাপকর্ম। যা মানুষের নৈতিক অধঃপতন ঘটায়।
২. গীতায় উল্লিখিত 'দৈবী' ও 'আসুরী' সম্পদ
শ্রীমদ্ভগবদ্গীতার ১৬শ অধ্যায়ে গুণাবলীর ভিত্তিতে সৎ ও অসৎ প্রবৃত্তি বা কর্মকে ভাগ করা হয়েছে:


