একাদশীর প্রাচীন কাহিনী মূলত হিন্দু শাস্ত্র ও পুরাণে পাওয়া যায়। এগুলি ধর্মীয়, আধ্যাত্মিক ও নৈতিক শিক্ষার জন্য বর্ণিত।
📖 একাদশীর কাহিনী পাওয়া যায় কোথায়
পদ্মপুরাণ
একাদশীর মাহাত্ম্য এবং বিভিন্ন একাদশীর গল্প সবচেয়ে বিশদভাবে এখানে আছে।
ভগবান শ্রীকৃষ্ণ যুধিষ্ঠির মহারাজকে একাদশীর ফল, নিয়ম ও কাহিনী বলেন।
ভারত (মহাভারত)
মহাভারতের ভীম এবং অন্যান্য পাণ্ডবদের কাহিনীতে একাদশীর উপবাস ও ফলের উল্লেখ আছে।
বিশেষ করে নির্জলা একাদশীর ব্রতকথা এখানে পাওয়া যায়।
ব্রহ্মাণ্ডপুরাণ
একাদশীতে দান, উপবাস ও কীর্তনের ফল বিস্তারিতভাবে বর্ণিত।
একাদশীর দিনে উপবাস না করলে পাপফল সম্পর্কে শাস্ত্র বর্ণনা করে।
স্কন্দপুরাণ ও ভাগবতপুরাণ
বিভিন্ন দেবদেবীর গল্পে একাদশীর পালন এবং তার মাহাত্ম্য বর্ণনা আছে।
ভক্তি, ধ্যান ও ব্রত পালনের প্রভাব দেখানো হয়েছে।
হরিবক্তি-সুধোদয়, নরসিংহপুরাণ ইত্যাদি উপনিষদ ও অনুষঙ্গ গ্রন্থ
একাদশীর নিয়ম, দান, নাম-সঙ্কীর্তন ও পারণের নিয়ম পাওয়া যায়।
✨ সংক্ষেপে:
একাদশীর প্রাচীন কাহিনী প্রধানত পাওয়া যায়:
পদ্মপুরাণ > মহাভারত > ব্রহ্মাণ্ডপুরাণ > ভাগবতপুরাণ > অন্যান্য শাস্ত্র ও উপনিষদ।


