হরে কৃষ্ণ ।।
সাধারণত ইন্দ্রীয় তর্পণে মত্ত ভোগী ব্যাক্তিরা প্রচন্ড স্বার্থপর হয়।। এর উদাহরণ বর্তমান সমাজে ভুরিভুরি দেখা যায়।।আর শ্রীমদ্ভাগবতম ও মহাভারত ঐতিহাসিক ভক্তবৃন্দের জীবনে আমরা এগুলো দেখতে পাই।
১। কংস ভ্রাতৃস্নেহে নিজে সারথি হয়ে দেবকি মাতাকে শ্বশুরালয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু যেই শুনল যে দেবলকী মাতার অষ্টম পুত্র ওর বধের কারণ হবে নীমিষের মধ্যে ওর সকল ভালবাসা হিংসায় রুপ নিলো..সাথে সাথে অসুরের মত রথের রজ্জু ছেড়ে মাতা দেবকীর কেশ ধরে তাকে অসি দ্বারা হত্যা করতে উদ্যত হয়।
২। হিরণ্যকশিপু পরম স্নেহে কোলে বসিয়ে নিজ পুত্র প্রহ্লাদের মস্তক আঘ্রাণ বুলিয়ে আঘ্রাণ করছিলেন কিন্তু যেই তার মুখে হরিভক্তির কথা শুনলেন তৎক্ষণাৎ তাকে মাটিতে নিক্ষেপ করলেন।
এভাবে নিজ ভোগবিলাসে বাধা পাওয়া মাত্র ভোগী ব্যক্তির সকল মানবতা উধাও হয়ে যায় এবং সে নির্লজ্জের মত আচরণ শুরু করে।।
তো আপনাকে বেছে নিতে হবে আপনি কি তুচ্ছ ক্ষণস্থায়ী ভোগবাসনার জন্য নিজের মন ইন্দ্রীয় সমুহের দাসত্ব করবেন, ইহলোক ও পরলোকে সকলের লজ্জার পাত্র হবেন এবং অনাদি কাল ধরে জন্ম মৃত্যু জড়া ব্যাধি এই ভয়ংকর চক্রে কোটি কোটি বছর ভয়ানক দুঃখ পাবেন।
নাকি আপনি কৃষ্ণের দাসত্ব করবেন , নিজ ইন্দ্রিয় এবং মনের ওপর বিজয় লাভ করে প্রকৃত বীর পুরুষ হবেন অর্থ্যাৎ গোস্বামী হবেন ।
( গো- ইন্দ্রিয় সমুহ ...এর স্বামী হলেন গোস্বামী)
(আর কৃষ্ণ হলেন সকল ইন্দ্রিয়ের পতি তাই তার নাম গোবিন্দ)
তাই গোবিন্দের শরণাপণ্ণ হলে নিজ ইন্দ্রিয়সমুহকে জয় করা যায়...
হরে কৃষ্ণ...।
চলবে............


