ইসকনের (ISKCON - International Society for Krishna Consciousness) সাথে যুক্ত হতে নিজের মূল ধর্ম ত্যাগ করতে হয় না।
ইসকন নিজেদের কোনো আলাদা বা ভিন্ন ধর্ম হিসেবে নয়, বরং বৈদিক সনাতন ধর্মের একটি অংশ বা ভক্তিযোগের চর্চাকেন্দ্র হিসেবে দেখে।
মূল বিষয়সমূহ:
ধর্ম পরিবর্তনের বাধ্যবাধকতা নেই: যে কোনো ধর্মাবলম্বী (হিন্দু, খ্রিস্টান, মুসলিম, বৌদ্ধ ইত্যাদি) মানুষ তাদের নিজস্ব ধর্মীয় পরিচয়ে বসেই কৃষ্ণভাবনামৃত বা ইসকনের দর্শন চর্চা করতে পারেন।
ভক্তি ও সার্বজনীন প্রেম: ইসকনের মূল দর্শন হলো ঈশ্বরের প্রতি প্রেম ও ভক্তি জাগিয়ে তোলা। তাদের মতে, ঈশ্বর এক এবং তাঁকে যে নামেই ডাকা হোক না কেন, ভক্তিভাবটাই প্রধান।
জীবনযাত্রার নিয়মাবলী: ইসকনের সক্রিয় সদস্য হতে হলে বা মন্দিরের জীবনধারায় যুক্ত হতে হলে কয়েকটি নিয়ম অনুসরণ করতে হয়, যেমন: নিরামিষ আহার (আমিষ, পেঁয়াজ ও রসুন বর্জন), মাদক থেকে দূরে থাকা, দ্যুতক্রীড়া/জুয়া বর্জন এবং অনৈতিক শারীরিক সম্পর্ক থেকে বিরত থাকা।
দীক্ষা গ্রহণ: কেউ যদি ইসকনে আনুষ্ঠানিকভাবে 'দীক্ষা' নিয়ে ভক্ত হিসেবে জীবনযাপন করতে চান, তবে তাঁকে ইসকনের নিয়মকানুন ও কৃষ্ণ ভাবনাময় জীবনধারা পুরোপুরি আপন করে নিতে হয়। তবে সাধারণ দর্শনার্থী বা শুভাকাঙ্ক্ষী হিসেবে যুক্ত হওয়ার জন্য কোনো ধর্ম পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই।


